Skip to main content

ভালো শেয়ার চেনার উপায় : ১৪ টি কার্যকরী টিপস

ভালো শেয়ার চেনার উপায় গুলি আপনি বুঝতে পারলেই খুব সহজেই স্টক মার্কেট থেকে বিনিয়োগ [ Stock Market Investing] করে অনেক লাভবান হতে পারবেন। এই পোস্টে ভালো শেয়ার নির্বাচনের ১০ উপায় নিয়ে  আলোচনা করবো অ আরও কিছু টিপস পাবেন।

বন্ধুরা, স্টক মার্কেট [ Stock Market]  হলো একটা ব্যবসা। আপনি স্টক মার্কেটে যে টাকা বিনিয়োগ করেন সেই টাকাগুলো ওই সমস্ত কোম্পানির ব্যবসাতে ইনভেস্ট হয়। তাহলে বুঝতে পারছেন সেই সমস্ত কোম্পানিগুলি যদি তাদের ইনকাম কে বাড়ায় এবং তারা ভবিষ্যতে আরও নিজেদের রেভিনিউকে গ্রো করে তাহলে আপনার বিনিয়োগ করা টাকাও বাড়বে। আর সে কারণেই ভালো শেয়ার চেনার কৌশল গুলি [ Good Stock Analysis Tips]  আপনার জানা খুবই দরকার।

ভালো শেয়ার চেনার উপায় : ১৪ টি কার্যকরী টিপস

ভারতের শেয়ারবাজারে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি কোম্পানি আছে।তার মধ্যে থেকে সঠিক কোম্পানি বাছাই করতে গেলে কিছু বিষয় জানা দরকার। Long Term & Short Term Investing এ ভালো শেয়ার চেনার জন্য বিশ্লেষণ করার আগে আপনাকে শেয়ার মার্কেট কিভাবে কাজ করে সেটি জানতে হবে।

ভালো শেয়ার চেনার উপায়

Telegram Channel  Join Now

এই নিবন্ধে আমি আলোচনা করব  একটি কোম্পানির শেয়ারে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস [ Stocks Fundamental Analysis] করার সময় কি কি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। কারণ আপনি যদি ভালো শেয়ার এনালাইসিস করতে পারেন তাহলে শেয়ারবাজারে লাভ করার উপায় গুলি বের করতে পারবেন - 

ভালো শেয়ার চেনার উপায় : ১৪ টি কার্যকরী টিপস

১. সেক্টর এনালাইসিস [ Sector Analysis]:  প্রথমে আপনাকে সেক্টর এনালাইসিস করতে হবে। অর্থাৎ কোন সেক্টর আগামী দিনে গ্রোথ করবে সেটি আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে। যেমন উদাহরণ হিসেবে বলা যায়: EV ( Electric Vehicle)  সেক্টর আগামী দিনে ভারতে আরও উন্নতি করবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ র। এছাড়াও আরো অনেক সেক্টর আছে যেগুলোর মধ্যে আগামীদিনের Growth  অনেক বেশি। 


২. কোম্পানির মার্কেট ক্যাপাসিটি [ Market Capacity ] :  তারপর আপনাকে ঠিক করতে হবে, সেই সেক্টরের বিভিন্ন কোম্পানির মার্কেট ক্যাপাসিটি। অর্থাৎ আপনি কোন মার্কেট ক্যাপাসিটির  শেয়ারের মধ্যে বিনিয়োগ করতে চান। যেমন - Large Cap, Mid Cap & Small Cap। এখানে মনে রাখবেন লার্জ ক্যাপ কোম্পানি গুলোর মধ্যে বিনিয়োগ করলে রিস্ক অনেকটা কম থাকে। আর মিডক্যাপ ও স্মল ক্যাপ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে রিস্ক আপনার অনেকটাই বেশি থাকবে কিন্তু প্রফিট ( Profit)এর পরিমাণও অনেক বেশি হবে। 

বোনাস টিপস: লং টার্মের জন্য কোম্পানি সিলেক্ট করার জন্য সবথেকে একটি সহজ উপায় হল আপনি দেখুন কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট আপনি নিজে ব্যাবহার করতে বেশি পছন্দ করেন, এবং আপনার আশেপাশে সমস্ত মানুষ কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট ব্যাবহার করছে। যে প্রোডাক্ট এর Demand সব সময় থাকবে এবং আগামী দিনেও একই ভাবে থাকবে। সেই সমস্ত কোম্পানি লং টার্ম এ ইনভেস্ট করার জন্যে ভালো। এবং কোম্পানি large Cap থেকে হলে ভালো হয়, রিস্ক অনেক কমে যায়। 


৩. কোম্পানির প্রোডাক্ট ও অ্যাডভান্টেজ ( Product) : এবার আপনি যে কোম্পানির স্টক এনালাইসিস করতে চান আপনি সেই কোম্পানি সম্পর্কে ভালো করে জানবেন যে সেই কোম্পানি কি বিজনেস করে, তার প্রোডাক্ট পোর্টফোলিও কি কি আছে অথবা, সেই কোম্পানি কি সার্ভিস দেয়, এবং তার কাছে কি এমন অ্যাডভান্টেজ আছে, যেটা অন্যদের থেকে তাকে আলাদা করে। কারণ মার্কেটে একই বিজনেস অনেক কোম্পানি করে থাকে কিন্তু আপনি যদি সেই কোম্পানির মধ্যে একটা অ্যাডভান্টেজ পান যে আগামী তে অন্যদের থেকে আরও বেশি উন্নতি করবে, তাহলে আপনার কাছে সেটা বিশাল পজেটিভ একটি দিক।


৪. প্রফিট ও লস স্টেটমেন্ট ( Profit & Loss) : এবার আপনি যে কোম্পানির শেয়ার বিশ্লেষণ করতে চাইছেন সেই কোম্পানির বাৎসরিক ( Yearly) প্রফিট (Profit) এবং লস ( Loss) স্টেটমেন্ট আপনাকে দেখতে হবে। যদি কোম্পানি লাস্ট ১০ বছর ধরে ক্রমাগত তার সেলস অথবা রেভিনিউ বাড়াতে থাকে এবং তার নেট প্রফিট ও বাড়তে থাকে, তাহলে সেই কোম্পানিকে নিঃসন্দেহে ভালো একটি কোম্পানি হিসেবে মানতে হবে। 


৫. ব্যালান্স শিট [ Balance Sheet]: কোম্পানির Balance Sheet এ  সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিসটি আপনি দেখবেন সেটি হল কোম্পানির রিজার্ভ। যদি কোম্পানির বিগত পাঁচ -দশ বছর ধরে তার রিজার্ভ কে ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে তাহলে বুঝবেন এটি একটি পজিটিভ দিক। এবং সেই সাথে দেখবেন কোম্পানির Borrowing ( ঋণ) কমছে কিনা। যদি বিগত কয়েক বছর ধরে কোম্পানি তার ঋণ কে কমাচ্ছে তাহলে এটি পজেটিভ লক্ষণ। এক্ষেত্রে মনে রাখবেন ব্যাংকিং সেক্টর বা ফিনান্স সেক্টরের স্টক গুলিতে Borrowing দেখতে হয় না। এছাড়াও আপনাকে দেখতে হবে যদি কোনো ভালো কোম্পানির Borrowing প্রতিবছর অল্প করে বাড়াতে থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে কোম্পানির ফিক্সড অ্যাসেট ( Fixed Asset) প্রতিবছর ক্রমাগত বাড়ছে কিনা.

বোনাস টিপস: এই পুরো জিনিসটিকে আপনি একটি Ratio মাধ্যমে দেখতে পারেন সেটি হল, Debt to Equity Ratio. কোম্পানির Debt To Equity রেশিও ১ এর যত কম হবে তত ভালো।  ১ এর বেশি হলে আপনাকে সেই কোম্পানি থেকে দূরে থাকতে হবে। 


৬. ক্যাশ ফ্লো [ Cash Flow]: কোন কোম্পানির শেয়ার এনালাইসিস করার সময় ক্যাশ ফ্লো একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। কোম্পানির হাতে কত ক্যাশ এই মুহূর্তে আছে। যদি কোন কোম্পানির কাছে পজিটিভ ক্যাশ ফ্লো হয় তাহলে সেটি একটি ভালো লক্ষণ। তবে Small Cap কোম্পানির ক্ষেত্রে ক্যাশ ফ্লো নেগেটিভ থাকতে পারে তার কারণ ছোট ছোট কোম্পানি তাদের সেই cash কে re invest করে দেয় ব্যাবসা তে।


৭. শেয়ার হোল্ডিং প্যাটার্ন [ Share Holding Pattern ]: কোম্পানির শেয়ার এ,   যদি আপনি দেখেন কোম্পানির যে প্রোমোটার আছে তারা তাদের স্টেককে সেল করছে না তাহলে এটি একটি পজিটিভ লক্ষণ হিসেবে আপনাকে নিতে হবে। এছাড়াও আপনি যদি দেখেন সেই কোম্পানিতে FII এবং DII ১৫% এর উপরে ইনভেস্ট হয়ে আছে এবং তারা যদি ক্রমাগত তাদের স্টেক বাড়ায় অথবা একই রাখে তাহলেও এটি একটি কোম্পানির জন্য পজিটিভ লক্ষণ।  অর্থাৎ কোম্পানির শেয়ার যত বেশি Strong Hand ( Promoter, FII, DII) কাছে থাকবে তত কোম্পানিটি ভালো এটা বুঝতে হবে। 

আরও পড়ুন:

ক্লিক করুন - শেয়ার মার্কেট কি? কিভাবে শুরু করবো ?  

ক্লিক করুন - শেয়ার কেনার কত দিন পর বিক্রি করা যায় :  কখন বিক্রি করা উচিত ? 

ক্লিক করুন - শেয়ার বাজারে সর্বনিম্ন কত টাকা বিনিয়োগ করা যায় ? 


কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেসিও ( Ratio) যেগুলি বিনিয়োগ করার আগে আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে - 

৮. PE Ratio: কোম্পানির PE Ratio যত কম হবে তত আপনি আন্ডার ভ্যালু হিসেবে ধরতে পারেন। যখন ফিরে এসে দেখবেন তখন অবশ্যই কোম্পানির পাঁচ বছরের অথবা তিন বছরের মিডিয়ান PE  সাথে তুলনা করবেন। মিডিয়ান PE  নিচে যদি এই মুহূর্তে কোম্পানির PE  থাকে তাহলে সেটি একটি গ্রেট অপরচুনিটি। এছাড়া Industry PE ও দেখতে হবে। 


৯. Book Value: কোম্পানির বর্তমান শেয়ার প্রাইস যদি তার বুক ভ্যালু কাছাকাছি থাকে অথবা বুক ভ্যালুর নিচে থাকে তাহলে সেটুকু একটি পজিটিভ লক্ষণ। কোম্পানিটি এখনো আন্ডার ভ্যালুড আছে। তবে লক্ষ্য রাখবেন কোম্পানির বর্তমান শেয়ার প্রাইস তার বুক ভ্যালু থেকে চারগুণ বেশি না হয়ে যায়। [ এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে কিছু বড় বড় গ্রেট কোম্পানি আছে, যাদের শেয়ার প্রাইজ এর দাম বুক ভ্যালু থেকে অনেক বেশি হতে পারে কারণ  মার্কেট , তাদের সব সময়  ভ্যালু বেশি দিয়ে থাকে। ] 


১০. ROCE: ROCE যেন ফিফটিন পার্সেন্ট এর উপরে হয়ে থাকে। যত বেশি হবে তত আরো ভালো। [ ব্যাংকিং কিংবা ফিন্যান্স সেক্টরের স্টকের ক্ষেত্রে আরও সি দেখার দরকার নেই] 


১১. ROE: ROE এটিও যদি ১৫% উপরে হয় তাহলে সেটি গ্রেট কোম্পানি হিসেবে ধরতে হবে। ১৫% থেকে যত বেশি হবে তত ভালো কিন্তু যদি তার নিচে হয় তাহলে এটি একটি নেগেটিভ লক্ষণ। [ ব্যাংকিং সেক্টর এনালাইসিস এর ক্ষেত্রে ROE দশের নিচে হতে পারে কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনাকে ব্যাংকের CASA Ratio দেখতে হবে] 

ক্লিক করুন - ব্যাংকিং স্টকস এনালিসিস করার পদ্ধতি: একটি সম্পূর্ন গাইড

১২. Debt To Equity Ratio: কোম্পানির Debt To Equity Ratio যেন ১ যত কম হবে তত ভালো বিনিয়োগ করার জন্যে। ১ এর বেশি Debt To Equity Ratio আছে এমন কোম্পানিতে কোনভাবেই ইনভেস্ট করা যাবেনা. 


১৩. PEG Ratio: কোম্পানির PEG রেসিও যদি একের কম হয় সেটা খুবই পজেটিভ একটা লক্ষণ তবে কোনভাবেই যেন চারের বেশি না হয়ে থাকে। 


১৪. Dividend Yield: কোম্পানি যদি অল্প কিছু ডিভিডেন্ট ও দিয়ে থাকে তো সেটাও একটা ভালো দিক। ডিভিডেন্ট না দিলেও কোন সমস্যা নেই। 


ধরুন, এবার আপনি সমস্ত কিছু এনালাইসিস করে একটা কোম্পানির স্টক সিলেক্ট করলেন। কিন্তু এবার প্রশ্ন হল -

আপনি কখন সেই শেয়ারটি কিনবেন ? 

এক্ষেত্রে আপনাকে সাজেস্ট করবো আপনি যদি একজন লং টার্ম অর্থাৎ ৫ থেকে ২৫ বছর কোন স্টক কে হোল্ড করে ধরে রাখবেন এরকম ইনভেস্টার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি যে কোন শেয়ারের দামে সেই কোম্পানিতে এন্ট্রি করতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি একজন শর্ট টার্ম ইনভেস্ট র অর্থাৎ ছয় মাস থেকে এক দু বছরের মধ্যে ৫০-৬০% নিতে চান তাহলে আপনার এন্ট্রি পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 


সমস্ত কিছু এনালাইসিস হয়ে যাওয়ার পর আপনি এবার দেখবেন যে কোম্পানির শেয়ারের দাম  তার অলটাইম হাই ( All Time High Price) এবং 52 Week ( এক বছরের হাই ) High থেকে কতটা ডাউনে আছে। আপনি যত ডাউনে শেয়ার টি কিনতে পারবেন তত আপনার প্রফিট বেশি হবে। এক্ষেত্রে আপনি EMA এবং Weekly Candle ব্যাবহার করতে পারেন। যদি শেয়ারের দাম 200 EMA এর কাছে পান সব থেকে ভালো হয়। না পেলে আপনি 50EMA, 100 EMA এর কাছে এন্ট্রি নিতে পারেন। এখানে একটি পয়েন্ট মনে রাখবেন ভালো ভালো স্ট্রং কোম্পানিকে আপনি সবসময় 200 বা 100 EMA এর কাছে পাবেন না। এক্ষেত্রে কোম্পানির শেয়ারের দামটি যদি তার 52 উইক হাই থেকে ৫ থেকে ১৫% ডাউনে পান সেখানে আপনি অল্প অল্প করে ইনভেস্ট করতে পারেন। 

আশা করি আপনি বুঝতে পারলেন একটা ভালো শেয়ার চেনার সহজ উপায় গুলি। উপরের এই সমস্ত পয়েন্টগুলো যদি আপনি মাথায় রাখেন কোন ভালো শেয়ারের ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস [ Fundamental Analysis] করার জন্য তাহলে আপনি শেয়ার মার্কেট থেকে লাভবান হবেন।

শেয়ার বাজার সংক্রান্ত আপডেট বাংলায় পেতে টেলিগ্রামে যুক্ত হন - ক্লিক করুন


Comments

Popular posts from this blog

শেয়ার মার্কেটে ট্রেডিং কি ,কত প্রকার, ট্রেডিং এর সুবিধা ও অসুবিধা | What Is Trading In Bengali

শেয়ার মার্কেটে ট্রেডিং কি , কতপ্রকার ট্রেডিং ( Trading ) হয় এবং ট্রেডিং সুবিধা ও অসুবিধা এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে, নিচের এই নিবন্ধ টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।  Table Of Contents বর্তমান সময়ে, তরুণ প্রজন্ম এর কাছে ট্রেডিং ( Trading ) শব্দ টি খুবই জনপ্রিয় হয়েছে। প্রত্যেকেই শেয়ার মার্কেট ( Share Market ) থেকে ট্রেডিং করে ইনকাম করতে চাইছে। চারিদিক এ ট্রেডিং এর কোর্স ( Trading Online Course) বিক্রি হচ্ছে। তাই , আজ আপনাদের  কাছে ট্রেডিং কি , এবং কতপ্রকার ট্রেডিং শেয়ার মার্কেট এ করা যায়, সেসব সম্পর্কে বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরবো।  শেয়ার মার্কেটে ট্রেডিং কি ? [ What Is Trading in Bengali ] শেয়ার মার্কেটে অল্প সময়ের জন্য কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনা - বেচা ( Buy - Sell) কে ট্রেডিং বলা হয়। আপনি আজই কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনে আজকেই বিক্রি অথবা, ২ দিন পর বা ১ মাস পর বিক্রি করতে পারেন, এটিকেই সহজ ভাষায় ট্রেডিং হবে। ট্রেডিং মূলত টেকনিক্যাল এনালাইসিস ( Technical Analysis) নির্ভর। শেয়ার মার্কেটে ট্রেডিংয়ের জন্য কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এর উপরে বেশি গুরু

কিভাবে শেয়ার মার্কেটে/বাজারে ব্যবসা শুরু করব: A to Z গাইড

কিভাবে শেয়ার মার্কেটে /বাজারে ব্যবসা শুরু করব - সম্পূর্ণ গাইড আপনি এখানে পেয়ে যাবেন। Table Of Contents বর্তমানে সময়ে শেয়ার মার্কেট বা স্টক মার্কেট ( Stock Market ) ইনভেস্টিং, ট্রেডিং ( Trading ),  মিউচুয়াল ফান্ড ( Mutual Fund ) এই সমস্ত শব্দগুলি আস্তে আস্তে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। শেয়ার মার্কেটেও যে টাকা ইনভেস্ট করে সেটিকে আরো বড় ক্যাপিটাল তৈরি করা যায় মানুষ ধীরে ধীরে সেটি বুঝতে পারছে। এই নিবন্ধে আমরা দেখব কিভাবে শেয়ার মার্কেটে বা বাজারে ব্যবসা শুরু করতে হয় এবং এর প্রাথমিক পদক্ষেপ গুলি কি হতে পারে।  Telegram Channel  Join Now কিভাবে শেয়ার মার্কেট /বাজারে বিনিয়োগ শুরু করব ( How To Invest In Share Market )  বিগত কয়েক বছরে অনেক মানুষ শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে জানতে ইচ্ছুক প্রকাশ করছে এবং   প্রচুর মানুষ এই শেয়ার মার্কেটে টাকা ইনভেস্ট করেছেন। কিন্তু সব সময় মনে রাখবেন শেয়ার মার্কেট হলো একটি ঝুঁকিপূর্ণ লাভজনক ব্যবসা। তাই নতুনদের জন্য এখানে কিছু গাইড দেওয়া হল যে কিভাবে শেয়ার বাজারে আপনি বিনিয়োগ শুরু করবেন -  ১. শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে শ

শেয়ার মার্কেট কি? কিভাবে শুরু করবো ?

আপনি কি শেয়ার মার্কেট কি  (   what is share market in bengali  )   সম্পর্কে জানতে চাইছেন ?  কিভাবে শুরু করবেন ভাবছেন?  Table Of Contents চিন্তা করবেন না, এই আর্টিকেল এ শেয়ার মার্কেট বা স্টক মার্কেট সম্পর্কে সব কিছু তথ্য দেওয়া হলো। সমস্ত নতুন বিনিয়োগ কারি দের এই পোস্ট  শেয়ার মার্কেট / শেয়ার বাজার সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।  শেয়ার মার্কেট বা, শেয়ার বাজার কি ? ( Share market details in bengali) শেয়ার মার্কেট হল, এমন একটি জায়গা যেখানে বিভিন্ন কোম্পানি লিস্টেড থাকে এবং আপনি সেগুলোর মধ্যে কোনো কোম্পানির শেয়ার বা অংশ কিনতে পারবেন এবং সেটি বিক্রি ও করতে পারবেন। মনে রাখবেন, আমাদের ভারতীয় শেয়ার মার্কেট সরকারি সংস্থা সেবি ( SEBI) নিয়ন্ত্রন করে।  কোম্পানি গুলি আরও ২ টি সংস্থা BSE ( Bombay Stock Exchange) ও NSE ( National Stock Exchange) এর অধীনে লিস্টেড হয়। ভারতের প্রায় ৫০০০ এর অধিক কোম্পানি শেয়ার মার্কেট এ লিস্টেড আছে। এর মধ্যে NSE এর অধীনে ২১১৩ টি কোম্পানি এবং BSE এর অধীনে ৫০০০ এর বেশি কোম্পানি লিস্টেড আছে।  Telegram Channel  Join Now শেয়া